বুধবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:২৭

ববি’র ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে

আগামী ১৮ ও ১৯ অক্টোবর-ই অনুষ্ঠিত হবে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। এর ১১দিন আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. একেএম মাহবুব হাসানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার।
ফলে নির্দিষ্ট সময়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিলেও ভর্তি পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ববি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য। এবছরের ভর্তি পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ৩৫জন শিক্ষার্থী। এবার তিনটি ইউনিটে রেকর্ড সংখ্যক ৪৯ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্যের (ভিসি) পদটি শূন্য থাকলে নির্দিষ্ট সময়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভিসি পদের দায়িত্ব যেমন নেই, তেমনি ট্রেজারারের পদটিও আজ ৮ অক্টোবর থেকে শূন্য হয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন এ তিন পদই হচ্ছে স্থানীয়ভাবে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ। যা না থাকলে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার মতো দায়িত্ব নেওয়ার কেউ থাকছে না।
উপাচার্য বলেন, গতবছরের থেকে এবারে আবেদনকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ। গতবছর যেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিলো ২২ হাজার ২৫৪ জন। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৪৯ হাজার ৯৫৬ জন। অর্থাৎ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক মান উন্নয়ন হয়েছে।
অপরদিকে নতুন উপাচার্য আসার তথ্যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে আন্দোলনের মুখে পরে ছুটিতে যাওয়া সাবেক উপাচার্য এসএম ইমামুল হকের অনুসারী কর্মকর্তারা। তাদের কয়েকজন ইতোমধ্যে ঢাকায় ‘গুঞ্জন ওঠা উপাচার্য’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছেন। গুঞ্জন রয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভিসি হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এই দু’জন হলেন, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. একিউএম মাহবুব এবং অন্যজন হলেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।
সূত্রমতে, ভিসির অপসারণের দাবিতে ২৬ মার্চ থেকে টানা ৩৫ দিনের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে পরেছিলো। আর আন্দোলনের মুখে ভিসি এসএম ইমামুল হককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ট্রেজারার ড. একেএম মাহবুব হাসানকে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য করা হয়। বেশ অল্পসময়ের দায়িত্বকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য’র বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন অভিযোগ নেই। তাই তাকেও দেয়া হতে পারে নতুন ভিসির দায়িত্ব। এমনটা গুঞ্জন উঠেছে পুরো বরিশালজুড়ে। এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. একেএম মাহবুব হাসান।