বুধবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রাত ২:৪৭

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ চ্যাম্পিয়ন ৯ দল

দেশে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে ৯টি দলকে চ্যাম্পিয়ন আর ৬টি দলকে রানার্সআপ ঘোষণা করা হয়েছে। টানা ৩৬ ঘণ্টার হ্যাকাথন শেষে বিভাগীয় শহরগুলো থেকে নির্বাচিত উদ্যোগগুলো অংশ নেয় চূড়ান্ত আয়োজনে।

সেখানেই বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০ অক্টোবর চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ ১৫ বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বিজয়ী দলগুলো হল- ঢাকা থেকে চ্যাম্পিয়ন : স্পেসটাইম, রানার্সআপ : হকিং। চট্টগ্রাম থেকে চ্যাম্পিয়ন : আলট্রা রোবোটিক্স, রানার্সআপ : সিনটেক্স অ্যারোর। রাজশাহী থেকে চ্যাম্পিয়ন : টিম কিউরিয়াস, রানার্সআপ : এএসএসআর এক্সপ্লোরার।

কুমিল্লা থেকে চ্যাম্পিয়ন : এরিয়াল এক্স, রানার্সআপ : গ্রিন এক্স। এছাড়াও সিলেট থেকে চ্যাম্পিয়ন : ভিআর ওয়েব। খুলনা থেকে চ্যাম্পিয়ন : টিম রেডিয়েন্ট, রানার্সআপ : বিএসএমআরএসটিইউ আউটলুনাস্ট।

বরিশাল থেকে চ্যাম্পিয়ন : ও-জোন। রংপুর থেকে চ্যাম্পিয়ন : লুনার ফেলো। ময়মনসিংহ থেকে চ্যাম্পিয়ন : যেকেকেএনআইইউ টেক হাব এবং রানার্সআপ হয়েছে অ্যাম্ফিবিয়ানস। এবার ৯টি শহর থেকে ৪ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে। সেখান থেকে শীর্ষ ৪৫টি প্রকল্পকে নিয়ে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-আইডিইবিতে ১৯-২০ অক্টোবর টানা দুই দিনব্যাপী হ্যাকথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশে পঞ্চমবারের মতো প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস বেসিস।

জমকালো এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং তরুণদের সক্ষমতা তুলে ধরতে নাসার এ আয়োজনটি দেশে পাঁচবারের মতো অনুষ্ঠিত হল।

গত বছর আমরা একটি ক্যাটাগরিতে গ্লোবাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবার পরিধি আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ আরও ভালো করবে এটাই আমার বিশ্বাস।

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৯ সম্পর্কে বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান বলেন, টেকনোলজিস্ট, বৈজ্ঞানিক, ডিজাইনার, আর্টিস্ট, এডুকেটর, উদ্যোক্তা ইত্যাদিসহ সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে ইনোভেটিভ সমাধান খুঁজে বের করাই হল এর মূল লক্ষ্য।

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের পার্টনার হিসেবে ছিল তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনস্থ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর মোবাইল গেম অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন বা আইডিয়া প্রকল্প, ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ আইডিইবি। উল্লেখ্য, এবার ৯টি শহর থেকে ৪ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী অংশ নিয়েছে।

সেখান থেকে শীর্ষ ৪৫টি প্রকল্পকে নিয়ে ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ আইডিইবিতে ১৯-২০ অক্টোবর টানা দুই দিনব্যাপী হ্যাকথন অনুষ্ঠিত হয়েছে।