শনিবার, ২১শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:০৪

নলছিটিতে একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে খলিল বাহিনী

স্টাফ রিপোর্টার।।

ঝালকাঠি জেলার, নলছিটি উপজেলার, সেওতা গ্রামে সরকারি লিজকৃত দীঘি দখলের পায়তারা কে কেন্দ্র করে একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে ভূমিদস্যুরা।

বুধবার দিবাগত রাত দেড়টায় ফরিদ খানের দরজায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, ওই গ্রামের বাসিন্দা জালাল মাঝি তার ভাই কালাম মাঝি চাচাতো ভাই মিন্টু মাঝি এবং প্রতিবেশী কবির খান ও জলিল আকন।

বর্তমানে তারা শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত সূত্র জানায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা মৃত: কদম মাঝির ছেলে জালাল মাঝি তার ভাই কালাম মাঝি ,মৃত :আকরাম মাঝির ছেলে মিন্টু মাঝি ,মৃত: সফেজ

আকনের ছেলে জলিল আকন, মৃত: রশিদ খানের ছেলে কবির খান সহ কয়েক জনের নামে একটি সরকারি দিঘী লিজ নেয়। এবং তারা পার্শ্ববর্তী শহীদ কে লিজ দেয়। শহীদ সেই দীঘিতে মাছ চাষ করে।কিন্তু একই গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী খলিল খান, সোহরাব খান ও তার ছেলে

কাওসার খান মিলে দিঘীটি দীর্ঘদিন ধরে দখলের পাঁয়তারা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায়, ঘটনার দিন বুধবার দিবাগত রাতে শহীদ দিঘী থেকে মাছ ধরে গাড়িতে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় পথিমধ্যে ফরিদ খানের

দরজায় পৌছলে পথে ওৎ পেতে থাকা ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ী খলিল খান সৌরভ খান ও কাউসার খান সহ অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে। শহীদ কোন উপায় না পেয়ে বিষয়টি জালাল ও অন্যান্যদের মোবাইল করে জানায়। পরে

জালাল, কালাম কবির, মিন্টু ও জলিল ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে খলিল ও অন্যান্যরা তাদেরকে রামদা এবংচাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে

তাৎক্ষণিক শের-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে কবির ও জালালের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে আহতদের স্বজনরা জানান।